কুয়েতে মানব পাচারকারীর তালিকায় বাংলাদেশের সাংসদ

গত বুধবার কুয়েতের আরবি দৈনিক আল কাবাস ও আরব টাইমস বাংলাদেশের তিন মানব পাচারকারীর বিরুদ্ধে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। যদিও অভিযুক্তদের নাম প্রচার করা হয়নি। তবে কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসে সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তদের একজন লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সাংসদ কাজী শহিদ ইসলাম ওরফে পাপুল।–প্রথম আলো
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কুয়েতে মানব পাচারে যুক্ত বাংলাদেশের তিন পাচারকারীর একজন গ্রেপ্তার হয়েছেন। সাংসদ কাজী শহিদ ইসলাম সেখানে গ্রেপ্তার অভিযান শুরুর আগেই তিনি দেশে চলে এসেছেন। অপর একজন এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে।
আরব টাইমস এর ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, চক্রটি ২০ হাজারের বেশি বাংলাদেশিকে কুয়েতে এনে অন্তত ৫ কোটি কুয়েতি দিনার বা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা আয় করেছে। ওই চক্রের অন্যতম সদস্য বাংলাদেশের একজন সাংসদ, যিনি নিয়মিতভাবে ঢাকা–কুয়েত আসা–যাওয়া করেন। তিনি কখনো কুয়েতে ৪৮ ঘণ্টার বেশি থাকেন না।
স্বতন্ত্র এই সাংসদ আওয়ামী লীগ কুয়েতের প্রধান পৃষ্ঠপোষক, বঙ্গবন্ধু পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটি সদস্য, বাংলাদেশ কমিউনিটি কুয়েতের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। বিগত সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে তিনি স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করে জয়লাভ করেন।
কাজী শহিদ ইসলামের ফেসবুক ও ব্যক্তিগত ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তিনি মারাফী কুয়েতিয়া গ্রুপ অব কোম্পানিজ, কুয়েত, ওমান ও জর্ডানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। প্রতিষ্ঠানটি জনশক্তি রপ্তানিতে যুক্ত।
এ ছাড়া তিনি বেসরকারি খাতের ব্যাংক এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান এবং এনআরবি সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কোম্পানির চেয়ারম্যান।



