দেশবাংলা

নাব্যতা সংকটে বাঘাবাড়ি নৌ-বন্দর

নাব্যতা সংকটে বাঘাবাড়িতে মালামাল খালাস প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। বেকার হয়ে পড়েছে প্রায় দুই সহস্রাধিক শ্রমিক। বিভিন্ন ঘাটে মাল খালাসের পর কম লোড নিয়ে এ বন্দরে আসায় বিপুল পরিমান টাকা লোকাসান দিতে হচ্ছে জাহাজ মালিকদের। আপদকালীন মজুদ দিয়েই পুরণ করা হচ্ছে উত্তরবঙ্গের ডিজেলের চাহিদা।

কর্মচঞ্চল এ ঘাটে চিরচেনা সেই মাল খালাসের তেমন ব্যস্ততা এখন আর নেই। নেই কোন জাহাজযটও। কারণ যমুনায় নাব্যতা সংকটে এ ঘাটে আসতে পারছেনা অধিকাংশ জাহাজ আর কার্গো। সীমিত সংখ্যক নৌযান এলেও সেগুলোও মাল নিয়ে আসছে অর্ধেকেরও কম।

নব্যতা সংকটের জন্য বিআইডব্লিউটিএকে দুষছেন নৌ-যান ফেডারেশনের নেতা আব্দুল ওয়াহাব। নব্যতার জন্য জাহাজে অর্ধেকের কম তেল নিয়ে আসে বলে তেলের মজুদ কমে গেছে ডিপোতে জানালেন, রাজশাহী বিভাগীয় ওয়েল ডিলার এসোসিয়েশনের যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক মো. ওয়াজেল হক।

মাল খালাস কমে যাওয়ায় কমে গেছে বাঘাবাড়ি বন্দরের রাজস্ব আয়। লোকসান গুনতে হচ্ছে ঘাটের ইজারাদারদেরও। বেকার হয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে অধিকাংশ শ্রমিক। কাজ না থাকায় বন্দর ছেড়ে চলে গেছে আনেকই। আপদকালীন মজুদ দিয়েই মেটানো হচ্ছে উত্তরবঙ্গ সহ ১৮ জেলার তেলের চাহিদা।

বাঘাবাড়ি তেল ডিপো সুত্রে জানা গেছে, গত রোববার এ বন্দরে তিনটি তেল ডিপোতে ডিজেলের আপদকালীন মজুদ ছিল ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৭ হাজার লিটার। অথচ গত ২ ফেব্রুয়ারীতে  মজুদ ছিল প্রায় আড়াই কোটি লিটার। বর্তমানে প্রতিদিন তেলের চাহিদা গড়ে প্রায় ৪০ লাখ লিটার। তবে নাব্য সংকট কেটে গেলে এ অঞ্চলে তেলের কোন ঘাটতি হবে না বলেই আশা করছেন ডিপো কর্মকর্তা এ. কে. এম. জাহিদ সরোয়ারা।

নাব্য সংকট নিরসন এবং জাহাজসহ নৌযান চলাচল নির্বিঘ্ন করে এ বন্দরটি সচল রাখার দাবি সংশ্লিষ্টদের।

মাহমুদুল হাসান উজ্জল, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close