নেছারাবাদে ফুলের চাষ করে স্বাবলম্বী হাজারো কৃষক

পিরোজপুরের নেছারাবাদ সন্ধ্যা নদীর তীর ঘেষা নান্দনীক পরিবেশে গড়ে ওঠা বাহারী রকমের দেশি বিদেশি ফুলের চাষ করে সাবলম্বী হয়েছেন হাজারও কৃষক। প্রায় চার হাজার নারী-পুরুষের কর্মসংস্থানসহ, কৃষকরা আয় করছেন ১০ থেকে ১২ কোটি টাকা।
পিরোজপুরের নেছারাবাদ সন্ধ্যা নদীর তীরে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন জাতের ফুল, ফুলের চারা ও টপ বিক্রিতে ব্যস্ত নার্সারি ব্যবসায়ীরা। উপজেলার ৫২ একর জমিতে প্রায় ২ শতাধিক ফুল ও ফলের নার্সারি রয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দর্শনার্থীরা একটু প্রশান্তির আশায় ছুটে আসে নেছারাবাদের ফুল বাগানের গালিচায়। সবুজ-হলুদ ফুলের বাহারী সমারোহে দর্শনার্থীদের ভীড় চোখে পড়ার মত।
লাভ ভাল হওয়ায় উপজেলার ছারছিনা, অলঙ্কারকাঠি,আটগড় কুরিয়ানা ও পশ্চিম কুনিয়ারী গ্রামের অধিকাংশ নারী পুরুষ ঝুঁকছেন, ফুল চাষে। গত ৫ বছরের মধ্যে এ বছর ফুলের আবাদ ভাল হয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ফুলের গাছ কিনতে আসেন ব্যবসায়ীরা।
নেছারাবাদ উপজেলায় দুইশোর অধিক নার্সারী শিল্পে প্রায় চার হাজার নারী-পুরুষ শ্রমিক রয়েছে। নার্সারি শিল্প আরো সম্প্রসারিত করতে পারলে, সরকার এখান থেকে ভালো রাজস্ব পাবে বলে জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বাবু।
নেছারাবাদ নার্সারি শিল্পকে সম্প্রসারিত করতে, নার্সারি ব্যবসায়ী ও মালিকদের স্বল্প সুদে ঋণের আস্বাস দিলেন, জেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু হেনা মো.জাফর।
নেসারাবাদ উপজেলার ৩টি ইউনিয়নের ১১ টি গ্রামে, ২শ প্রজাতির ফুল ও ফুলের চারা উৎপাদন করে আসছেন কৃষকরা। চাষিদের দাবি সরকার সহজ শর্তে কৃষি ঋনের ব্যবস্থা করলে, ফুল চাষে শিক্ষিত বেকার যুবকদের আগ্রহ বাড়বে, দূর হবে বেকারত্ব।
ইমাম হোসেন মাসুদ, পিরোজপুর প্রতিনিধি



