ক্রিকেটখেলাধুলা

জিম্বাবুয়ের ভাগ্য বাংলাদেশের হাতে

দীর্ঘদিন পর টেস্ট ক্রিকেটে চালকের আসনে বাংলাদেশ। ঢাকা টেস্টে স্বাগতিকদের চেয়ে ২৮৬ রানে পিছিয়ে জিম্বাবুয়ে। মুশফিকুর রহিমের ডাবল এবং মমিনুল হকের সেঞ্চুরিতে রোডেশিয়ানদের বিপক্ষে ৬ উইকেটে ৫৬০ রান করে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে টাইগাররা। তৃতীয় দিন শেষে সফরকারীদের সংগ্রহ দুই উইকেটে ৯ রান।

টেস্টে, ইনিংসে তিন’শো রানের কোটা স্পর্শ করতেই এক বছরের খরা। যে দলটি, ২০ বছর আগে অভিষেক ম্যাচেই করেছিলো ৪০০ রান, সেই দল এখন যেন থ্রি-হানড্রেড প্লাস করতেই হিমসিম। তবে এবার, সেই ব্যর্থতা এক ঝাটকায় ঘুঁচিয়ে দিয়েছে টাইগাররা।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চলতি টেস্টে মুশফিক-মমিনুলের ব্যাট নতুন করে জানান দিলো- বাংলা ক্রিকেটের অবস্থান। তৃতীয় দিনে দলের শুরুটা ২৪০ রান থেকে। চতুর্থ উইকেটের ২২২ রানের জুটি, শুধু বড় লিডের আভাসই নয়, জবাব দিলো নানা সমালোচনা। দুই বছর পর সাদা পোশাকে ক্যারিয়ারের নবম শতক তুলে নেন মমিনুল, থামেন ১৩২ রানে।

সকালে হাফ-সেঞ্চুরি করে দুপুরে শতকের উচ্ছ্বাস, বিকেলে ডাবল সেঞ্চুরির গর্বে মিরপুর স্টেডিয়াম ঝাঁকিয়ে দেয় মুশফিকের ব্যাট। দিনটাই হয়ে থাকলো মুশফিকময়। টেস্ট ক্যারিয়ারে তার সাত সেঞ্চুরির তিনটিই ডাবল। এই কীর্তিতে তামিম ইকবালকে টপকে সাদা পোশাকে সর্বোচ্চ রানের মালিক হলেন তিনি। অপরাজিত থাকেন ২০৩ রানে।

দেশের মাটিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান ৫৫৬। আট বছর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওই রান করেছিলো স্বাগতিকরা। এবার তা টপকে দাঁড়ালো ৫৬০ এ। মমিনুল-মুশফিকের সাফল্যের দিনে ভুলে গেলে চলবে না লিটন দাশের ৫৩ রানের ইনিংস। প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেটে ৫৬ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা টাইগারদের।

২৯৫ রানে পাহাড়ে চাপা পড়া জিম্বাবুয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে নেমেই মুখ থুবড়ে পড়ে। মাত্র ৯ রানেই ২ উইকেট হারায় দিনের শেষ বেলায়। তাই কাল চতুর্থ দিনে, সফরকারীদের যতো দ্রুত গুটিয়ে দেয়া যাবে, ততো আগেই হোটেলে ফেরার সুযোপ পাবে টিম বাংলাদেশ।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close