জনদুর্ভোগবাংলাদেশ

বিদ্যুতের দাম বাড়ানো অসামঞ্জস্য : বলছে জনগণ

নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বমুখী এই বাজারে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ফলে, আয়ের সাথে ব্যয়ের সামঞ্জস্য থাকবে না বলে জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষ। আর এভাবে বিদ্যুতের বাড়ানো নিয়ে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষের মাঝে চলছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। তাদের দাবি কোনো অবস্থায় যেন বাড়ানো না হয় গ্যাস পানি বিদ্যুতের মূল্য।

আধুনিক সভ্যতার বিস্ময়কর আবিষ্কার বিদ্যুতের ব্যবহার এখন মানুষের জীবন যাত্রার জন্য রীতিমত অপরিহায উপাদান। তবে, পাইকারি, খুচরা ও সঞ্চালন এই তিন ক্ষেত্রেই বিদ্যুতের দাম আরেক দফা বাড়ানোর ফলে ভোক্তাদের প্রতি মাসে গুণতে হবে বাড়তি টাকা।

সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, সাধারণ গ্রাহক পর্যায়ে (খুচরা) প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম গড়ে ৩৬ পয়সা বা ৫ দশমিক ৩ শতাংশ বাড়ানোর ফলে দাম পড়বে ৬ টাকা ৭৭ পয়সা থেকে বেড়ে ৭ টাকা ১৩ পয়সা। পাইকারিতে বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিট গড়ে ৪০ পয়সা বা ৮ দশমিক ৪ শতাংশ বাড়ায় দাম পড়বে ৪ টাকা ৭৭ পয়সা থেকে বেড়ে ৫ টাকা ১৭ পয়সা।

এছাড়া বিদ্যুৎ সঞ্চালন মূল্যহার বা হুইলিং চার্জ প্রতি ইউনিটে শূন্য দশমিক ২৭৮৭ টাকা থেকে ৫ দশমিক ৩ শতাংশ বাড়িয়ে করা হয়েছে শূন্য দশমিক ২৯৩৪ টাকা। খুচরা পর্যায়ে ডিমান্ড চার্জও বিভিন্ন পর্যায়ে ৫ টাকা থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন।

তবে, বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ। এভাবে দাম বাড়লে জীবন যাত্রা নির্বাহ করা কঠিন হয়ে যাবে বলে মনে করছেন তারা। এ ছাড়া বিদ্যুতের দাম বাড়ানো ঘোষণায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে।

বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের পাশাপাশি নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে সরকারের প্রতি আহবান জানান তারা।

এর আগে, ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর সব শেষ বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয় বিইআরসি। ওই সময় ৬ টাকা ৫০ পয়সা থেকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম বেড়ে হয় ৬ টাকা ৮৫ পয়সা। ওই বছরের ডিসেম্বর থেকে এ দাম কার্যকর হয়। ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে বিদ্যুতের দাম ২ দশমিক ৯৩ শতাংশ বাড়ানো হয়েছিল।

বুলবুল আহমেদ, বাংলা টিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close