পানি সংকটে উপকুলীয় আশ্রয় কেন্দ্রেগুলো

বাগেরহাটে সিডর ও আইলা বিধ্বস্থ উপকুলীয় এলাকার আশ্রয় কেন্দ্রেগুলোতে, পানি সংকটের কারণে নষ্ট হচ্ছে পানি সংরক্ষণের বিভিন্ন উপকরণ। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় সচেতনতা বৃদ্ধি পেলেও, পর্যাপ্ত আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণের দাবি উপকূলীয় জনপ্রতিনিধি ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার। জেলা প্রশাসন বলছে, দুর্যোগ মোকাবেলায় সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য, অবকাঠামো নির্মাণ চলমান রয়েছে।
২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর সিডরের পর সরকারি বেসরকারি নানা উদ্যোগে, বাগেরহাটের উপকূলীয় এলাকায় নির্মাণ করা হয় ঘূর্নিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র। দূর্যোগ মোকাবেলায় নেয়া হয় নানা সচেতনতামূলক কার্যক্রম।
তবে দূর্যোগের সময় প্রাণ বাঁচাতে ছুটে যাওয়া আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে নেই, প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধা। দেখভাল করার মত নেই কোন শক্তিশালি দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি।
ফলে আশ্রয়কেন্দ্রের পানির ট্যাংকি পয়নিস্কাশনের সরঞ্জামাদি নষ্ট হচ্ছে। বিদ্যালয়ে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে পয়নিস্কাশনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না থাকায়, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পড়তে হয় নানা ভোগান্তিতে। এদিকে, ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার মানুষের প্রাণের দাবি টেকসই বেঁড়িবাধ নির্মাণ দ্রুত সম্পন্ন করার।
এদিকে, আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন খোন্তাকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন। আর, গেল সিডরে ৭০টি আশ্রয়কেন্দ্রে পানির যে ব্যবস্থা করা হয়েছিলো তা প্রয়োজনের তুলনায় কম ছিলো বলে জানান, জেজেএস মহড়া প্রজেক্টের কর্মকর্তা শেখ সোয়েব উদ্দিন।
অন্যদিকে, মুজিববর্ষকে সামনে রেখে, আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন, জেলা প্রশাসক মোঃ মামুনুর রশীদ।
বাগেরহাটের ৯টি উপজেলায় ৩শ ৪৫টি বিদ্যালয় কাম আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে। যেখানে বর্তমানে মানুষ বসবাসের অবস্থা নেই। ঘূর্ণিঝড়ের সময় তীব্র পানি সংকটসহ, নানা সমস্যায় পড়তে হয় আশ্রিতদের।
আব্দুল্লাহ আল ইমরান, বাগেরহাট প্রতিনিধি



