নবীগঞ্জে চড়া সুদের ফাঁদে নি:স্ব অনেকেই

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় চড়া সুদের ফাঁদে পড়ে, একের পর এক নি:স্ব হয়ে পড়ছে অনেকে। সুদ দিতে না পারায় মামলায় পড়ে, জায়গা-জমি হারিয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন অনেক পরিবার। এসব সুদখোরদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলছে প্রশাসন।
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নে সুদ ব্যবসায়ী শহিদুল ইসালাম ভুট্টুর বাড়ি এটি। তার খপ্পরে পড়ে ব্যবসা বাণিজ্য, ভিটেমাটি ও সহায়-সম্বল হারিয়ে, অনেকে হয়েছেন নিঃস্ব। অভিযোগ উঠেছে-একই গ্রামের নাসির উদ্দিন সুদ ব্যবসায়ী ভুট্টুর কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা ধার নিয়ে, ৮০ হাজার টাকা সুদ দেন।
সুদ ব্যবসায়ী ভুট্টু গ্রাহকের সাক্ষরযুক্ত চেক এবং স্বর্ণালংকার জমা রেখে, শর্ত সাপেক্ষে সাপ্তাহিক ও মাসিক ১০ বা ২০ শতাংশ সুদে টাকা দিয়ে থাকেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা না পেলে, স্বর্ণ অফেরতযোগ্যর পাশাপাশি চেক ডিজওনার মামলা করেন। এ ব্যাপারে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার পায়নি ভূক্তভোগীরা।
এ ব্যাপারে শহিদুল ইসলাম ভুট্টুর বাড়িতে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার স্ত্রী এসব অভিযোগ মিথ্যে বলে দাবি করেন। অসহায় মানুষকে সুদ ব্যবসায়ীদের হাত থেকে বাঁচাতে দ্রুত সুদ খোরদের তালিকা করে আইনের আওতায় আনার দাবি সচেতন মহলের।
এদিকে, সুদখোরদের বিরুদ্ধে কেউ অভিযোগ করলে তদন্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিশ্বজিত কুমার পাল।
এছাড়াও, সুদের ব্যবসা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করাসহ, গ্রামে গ্রামে সুদ খোরদের তালিকা করে তাদের আইনের আওতায় আনার দাবি সুধী মহলের।
মতিউর রহমান, নবীগঞ্জ প্রতিনিধি



