অন্যান্যবাংলাদেশ

না বুঝে বীমা করলে বিড়াম্বনা বাড়ে বলছেন, বিশেষজ্ঞরা

সঠিক বীমা বেছে নেয়া, সবসময়ই চ্যালেঞ্জিং। কারণ, কষ্টার্জিত অর্থ আপনি কার হাতে তুলে দিচ্ছেন, তা নিয়ে আগেই সতর্ক থাকা বুদ্ধিমানের কাজ। ভিন্ন ভিন্ন প্যাকেজের নানাবিধ শর্তে, গ্রাহক বিভ্রান্ত হওয়াটাই স্বাভাবিক। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গ্রাহকদের উচিৎ যাচাই করা। বীমার পলিসি খুব ভালভাবে জেনে-বুঝে, তারপরই উপযুক্ত সেবা গ্রহণ করলে, বিড়াম্বনা কমে যাবে।

বীমা পলিসি নেয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করে, তা হলে তথ্য ঘাটতি অথবা আর্থিক খুটিনাটি বিষয়ের সহজিকরণ না থাকা। পরবর্তীতে দেখা যায়, গ্রাহকরা সমস্যায় পড়েন

কয়টি কিস্তি জমা হলো, সেগুলো আদৌ প্রধান কার্যালয়ের হিসেবি খাতায় উঠলো কিনা, এসব বিষয়ে গ্রাহকরা অনেক সময় জানতেও পারেন না। তাই বীমা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের নির্ভরতা বাড়াতে, এই খাতকে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি সমৃদ্ধ করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। বীমার ‘ডিজিটাল পলিসি রিপোজেটরি’ নিশ্চিত হলে গ্রাহকরা পাবে, একটা জবাবদিহিতামূলক সেবা।

বীমা কোম্পানির মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে, অধিকাংশ লোকবল কমিশনের ভিত্তিতে কাজ করে। তারা সেবার প্রতি মানুষকে আগ্রহী করতে গিয়ে, অনেক সময় অযাচিত তথ্যে প্রলুব্ধ করে। প্রায়ই দেখা যায়, কোম্পানী পলিসির সঙ্গে গ্রাহকের কাছে থাকা তথ্য, আসলে মিলছে না !

আবার, কোম্পানিভেদে বীমার শর্তাবলি ও কাভারেজ ভিন্ন হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বীমা সংস্থা বাছাইয়ের আগে বিভিন্ন প্যাকেজের পলিসি সর্ম্পকে, পর্যাপ্ত ধারণা নিতে হবে।

বীমার দাবি নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে অন্যান্য দেশের চেয়ে অনেক পিছিয়ে বাংলাদেশ। বিভিন্ন ধরণের বীমার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে উৎসাহিত করতে, সেগুলো আসলে কিভাবে কাজ করে- তার একটা পরিষ্কার উপস্থাপনা আগে প্রয়োজন; এমনভাবে, যা সাধারণ মানুষের সহজ বোধগম্য হয়।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, নিয়মিত প্রিমিয়াম জমা দেয়া বা অনলাইনের মাধ্যমে পরিশোধ করা এবং সঠিক সময়ে খোঁজ নেয়া গেলে বীমাও হতে পারে, বিনিয়োগের একটি আস্থা ও নিরাপত্তার প্লাটফর্ম। গ্রাহকদের নির্ভরতা অর্জনে, বীমার বিষয়ে সচেতনতার কোন বিকল্প নেই বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

শাহরিয়ার রাজ, বাংলা টিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close