কাঁকড়া ও কুচিয়া রপ্তানি বন্ধে বিপাকে উপকূলের চাষিরা

সুন্দরবন সংলগ্ন সাতক্ষীরা উপকূলীয় অঞ্চলে চাষ করা ৮০ ভাগ কাঁকড়া ও কুচিয়া রপ্তানি হয়ে থাকে, চীনে। সম্প্রতি করোনা ভাইরাসের প্রভাবে দেশটিতে কাঁকড়া-কুচিয়া রপ্তানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায়, বিপাকে পড়েছেন এলাকার চাষিরা। এদিকে, অসংখ্য খামারে কুচে কাঁকড়ায় মড়ক দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় চরম অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।
মৎস্য বিভাগের তথ্যমতে, সাতক্ষীরার সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলবর্তী উপজেলা শ্যামনগর, কালিগঞ্জ, আশাশুনি, দেবহাটা, তালাসহ, বেশকিছু এলাকায় গড়ে উঠেছে কুচে ও কাকড়ার খামার। ২৫ জানুয়ারি থেকে চীনে রপ্তানী বন্ধ হয়ে যাওয়ায়, অভ্যন্তরীণ স্থানীয় বাজারগুলোতেও, কুচে কাঁকড়া কেনা বেচায় চরম ধ্বস নেমেছে।
বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর চীনে কুঁচিয়া ও কাঁকড়া রপ্তানি হয় প্রায় ৬৩০ কোটি টাকার। চীনের মাধ্যমে সিঙ্গাপুর, থাইল্যন্ড, তাইওয়ান, ব্যংকক, মালয়েশিয়াসহ, কয়েকটি দেশে রপ্তানি হয়। সেটিও এখন বন্ধ। ব্যবসায়ীরা বলছেন এ অবস্থা চলতে থাকলে, তারা চরমভাবে ক্ষতির সম্মুখিন হবে।
এ সংকট কাটিয়ে উঠতে চীন ছাড়া বিশ্বের অন্যন্য যেসব দেশে কাঁকড়ার বাজার রয়েছে, সেসব দেশে ব্যবসায়ীদের যোগাযোগের পরামর্শ দিলেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো.মমিনুজ্জামান।
শুধু চীনের মাধ্যমে নয়, সিঙ্গাপুর, থাইল্যন্ড, তাইওয়ান, ব্যংকক, হংকং, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে সরাসারি কুচিয়া বা কাঁকড়া রপ্তানী করতে পারবেন এমন প্রত্যাশা উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের।
গোপাল কুমার, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি



