অন্যান্যবাংলাদেশ

ক্রেতা না থাকায় পণ্যের দাম নিম্নমুখী

করোনা আতঙ্কে লোকজন ঢাকা ছাড়ায় রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোও এখন অনেকটা জনশূন্য। আর যারা এখনও ঢাকায় আছেন, তাদের অনেকেই অবিবেচকের মত নিত্যপণ্য মজুদ করেছেন আরও আগেই। ঢাকার বাজারগুলোতে এখন তারই প্রভাব পড়েছে চরমভাবে।

অনেকটা ক্রেতাহীন বাজারে পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসে আছেন বিক্রেতারা। তাই প্রতিটি পণ্যের দামই এখন নিম্নমুখী। এতে করে, ভোক্তারাও অনেকটা খুশি, সঠিক দামে পণ্য কিনতে পেরে।

রাজধানীর শুক্রবারের বাজারের চিত্র এটি। নেই কোনো গাদাগাদি, হুড়োহুড়ি। নির্ধারিত দামে প্রয়োজনীয় পণ্যটি কিনতে, এখন যেন কোনো বিরক্তিই নেই ক্রেতার! গত কয়েক সপ্তাহের মতো আজও নতুন রসুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা দরে, আলু ২৫, ব্রয়লার মুরগি ১২০ এবং ডিম ১০০ টাকা ডজন দরে। স্বাভাবিক অবস্থা সবজির বাজারেও।

হুট করে কেজিপ্রতি ৪-৫ টাকা বেড়ে যাওয়া চালের দামও এখন অনেকটা স্থিতিশীল। সরকারের কঠোর তদারকির কারণেই এমনটা হয়েছে বলে জানালেন, বিক্রেতারা।

এদিকে, কদিন আগেও হাহাকার পড়ে যাওয়া মাছের বাজারের চিত্রও অনেকটা স্বাভাবিক। গত সপ্তাহের হাজার টাকা কেজির বড় রুই-কাতলা এখন বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা দরে।

দেশবাসী করোনার মহামারী কবে কাটিয়ে উঠবে- তা জানা না গেলেও, দ্রব্যমূল্যের স্বাভাবিক গতি যেন সবসময় অব্যাহত থাকে, এমটাই চাওয়া সাধারণ মানুষের।

মোহাম্মদ হাসিব, বাংলাটিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close