দেশবাংলা

সিডরের এক যুগেও নির্মান হয়নি টেকসই বেড়িবাঁধ

সিডরের এক যুগেও নির্মান হয়নি বাগেরহাটে টেকসই বেড়িবাঁধ। আর বেড়িবাঁধ নির্মান না হওয়ায় প্রাকৃতিক দূর্যোগের আতংক কাটেনি উপকুলবাসির। ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার মানুষের দাবি নদী শাসন করে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বেড়িবাঁধ নির্মান কাজ ২০২০ সালের জুন মাস নাগাদ শেষ হবে।

২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর রাতে প্রলয়ংকারী সুপার সাইক্লোন সিডর আছড়ে পড়ে বাগেরহাটের ৯টি উপজেলায়। ঘুর্নিঝড়ের প্রভাবে ১০-১২ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছাসে লন্ডভন্ড হয়ে যায় জেলার বিভিন্ন জনপদের হাজার হাজার বাড়ি ঘর বিধ্বস্তের পাশাপাশি মারা যায় নারী পুরুষ শিশু।

সেদিন সিডর কবলিত এলাকাগুলোতে মূলতঃ পর্যাপ্ত সাইক্লোন শেল্টারের অভাবে অনেক বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এরই মধ্যে সিডরের ১২ বছর পেরিয়ে গেলেও দুর্গত এলাকাগুলোতে নির্মান হয়নি টেকসই বেড়িবাধ।

অথচ প্রতিবছর বর্ষার মৌসুমে শরনখোলা উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের বেড়িবাধ ভেঙে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে এলাকাবাসি। এলাকাবাসী বলছেন, নদী শাষন করে বেড়িবাঁধ নির্মান হলে আতঙ্ক কাটবে দুর্যোগের।

এদিকে, স্থানীয় জনপ্রতিনিধির দাবি নির্মানাধীন বেড়িবাঁধের একটি অংশ বারবার ভেঙ্গে যাওয়ার কারণে এখন নদী শাসনের বিকল্প নেই।

৩৫/১ পোল্ডারের ৬২ কিলোমিটার অংশের বেড়িবাঁধ বিশ^ব্যাংকের অর্থায়নে নির্মান করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে আমরা এই বাঁধের ৭০ ভাগ কাজ শেষ করেছি। আগামী ২০২০ সালের জুন মাস নাগাদ এই বাঁধের কাজ শেষ করতে পারব বলে মনে করেন, উপকূলীয় বাঁধ উন্নয়ন প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুল আলম।

বেড়িবাঁধ নির্মাণের কাজ মনিটরিং করা হচ্ছে। এছাড়া সিডর বিদ্ধস্ত এলাকার মানুষের জন্য সরকার নানা উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে বলে জানালেন, জেলা প্রশাসক মোঃ মামুনুর রশীদ।

২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর সুপার সাইক্লোন সিডরের আগাতে শরণখোলা উপজেলাসহ বাগেরহাট জেলায় ৯‘শ ৮ জন মানুষ মারা যায়।

আব্দুল্লাহ আল ইমরান, বাগেরহাট

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button