অন্যান্যদেশবাংলা

করোনায় ধানের উৎপাদন ব্যাহত হবার শংকায় কৃষক

দেশের বিভিন্নস্থানে করোনার মন্দ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বোরো ধান আবাদে।করোনারোধে কৃষকদের পাশাপাশি শ্রমিকরাও রয়েছেন ঘরবন্দি। এতে দেখা দিয়েছে শ্রমিক সঙ্কট।আবার অর্থাভাবে অনেক কৃষক পারছেন না সার ও কীটনাশক কিনতে। এর মধ্যে আবার,বোরো ধানের জমিতে দেখা দিয়েছে,পোকার আক্রমণ। সময়মতো আগাছা পরিষ্কারসহ সার-কীটনাশক ব্যবহার করতে না পারলে, ধানের আশানুরুপ উৎপাদন ব্যহত হবার শংকায় কৃষকরা।

লালমনিরহাটের বিভিন্নস্থানে বোরো ধানের ক্ষেতে আগাছায় ভরে গেছে।বেড়েছে পোকার আক্রমনও।করোনা সংক্রমনরোধে শ্রমিকরা বাড়ি থাকায় বেড়েছে, কৃষি শ্রমিকের সঙ্কট।তবু কৃষকদের ক্ষেতে গিয়ে কাজ কাজ করতে হচ্ছে।উদ্দেশ্য আশানুরুপ ধানের ফলন উৎপাদন।সার ও কীটনাশক ঔষধের সরবরাহে নেই ঘাটতি।তবে তা কিনতে পারছেন না কৃষকরা।টাকার অভাবে কীটনাশক কিনতে না পারায়, পোকার আক্রমন থেকে বোরো ধান রক্ষা নিয়ে চিন্তিত কৃষকরা।

এদিকে,সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলারবাসী বোরো ফসলের ওপর নির্ভরশীল।প্রতিবছর বোরো মৌসুমে ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সিরাজগঞ্জসহ, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে কৃষি শ্রমিকরা জগন্নাথপুরে এসে ধান কেটে, কৃষকদের গোলা পূর্ণ করেন।ধানকাটা শেষ হলে বাড়ি ফেরার সময়, নিজেরা ধান ভর্তি ট্রাক নিয়ে যান।এবার করোনার প্রভাবে পরিবহন বন্ধ থাকায়, শ্রমিকরা আসতে পারছেন না।ফলে,ধান কাটা শ্রমিক সংকটে হাওরপাড়ের কৃষকদের মাঝে ফসল নিয়ে শঙ্কা বিরাজ করছে।

অন্যদিকে,বোরো আবাদের মওসুম শেষ হতে চললেও,এখনও ফাঁকা পড়ে আছে হবিগঞ্জের হাওড় অঞ্চলের বিস্তীর্ণ ধানী জমি।ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় ধান চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষকরা।তাদের দাবি,ফসল ঘরে তুললেও উৎপাদন ব্যয় মেটাতে হিমসিম খাচ্ছেন তারা।পাশাপাশি রয়েছে শ্রমিক সংকট,মিলছে না বর্গা চাষীও।ফলে চাষ না করে জমি ফেলে রাখছেন তারা।করোনা দুর্যোগে বাড়িতে থাকা কৃষকদের সার ও কীটনাশক দিয়ে সহযোগিতা করা না হলে এ বছর আশানুরুপ বোরো ধানের ফলন নাও আসতে পারে।এ ব্যাপারে ফলপ্রসু পদক্ষেপ নিতে সরকারের কাছে দাবী জানিয়েছেন কৃষকরা।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close