অন্যান্যবাংলাদেশ

উৎসব নয়, সময় এখন দুর্যোগ প্রতিরোধের

‘উৎসব নয়, সময় এখন দুর্যোগ প্রতিরোধের’-এই স্লোগানে বঙ্গাব্দ ১৪২৭ কে ডিজিটালি আবাহন করলো ছায়ানট। প্রতিবছরের মত রমনা বটমূলে ছায়ানটের অনুষ্ঠান হয়নি ঠিক। তবে, রমনার বটমূলে বিগত কয়েক বছরের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের সংকলিত অংশ সম্প্রচার করা হয়।

অনুষ্ঠানে সমাপনী কথনে ছায়ানট সভাপতি সনজীদা খাতুন বলেন, মানবিক শক্তিতেই এই সঙ্কটকাল পেরিয়ে যাবে মানুষ। অন্যদিকে, নববর্ষ উপলক্ষে ডিজিটাল অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, যাসরকারি-বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে সম্প্রচারিত হয়।

রক্তিম আভা ছড়িয়ে বছরের প্রথম সূর্য উঠল সুরের মূর্চ্ছনা ছাড়াই। ভৈরবী রাগে দুলে উঠলো না নবপত্রপল্লব। বাঙালির উৎসবে পড়েছে বিষন্নতার কালো ছায়া। নববর্ষে তবুও মানুষ গাইছে ‘মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা,অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা।’

এদিকে, ৫০ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম রমনার বটমূলে বেজে উঠেনি সম্প্রীতির সুর। পুরো বটমূল এলাকা একেবারে নীরব। করোনা মহামারীর মধ্যে এবার যেন অচেনা এক বাংলা নববর্ষ। রাজধানীতে নেই সেই চিরচেনা উৎসব। মানুষের মাঝে নেই আনন্দ কিংবা উৎসবের আমেজ। নগরীর কোথাও এবার আঁকা হয়নি বৈশাখের আলপনা। ফাঁকা চারুকলাও।

করোনাভাইরাসের ফলে ঘরে বসে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘরোয়া আমেজেই বৈশাখ পালন করছে বাঙালি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ঘরে থেকেই চলছে বৈশাখ উদযাপন। সব মিলিয়ে উৎকণ্ঠ আর শঙ্কার মধ্যেই কাটছে এবারের পহেলা বৈশাখ।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close