
সোহেল রানা, মালদ্বীপ প্রতিনিধি: মালদ্বীপের থিনাধু আইল্যান্ডে প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য অনুষ্ঠিত হলো ভ্রাম্যমান কনস্যুলার সেবা ও কল্যাণ ক্যাম্প।
রাজধানী মালে থেকে প্রায় ৪৬৫ কিলোমিটার দূরের এ দ্বীপে প্রায় দুই হাজার বাংলাদেশী কর্মরত রয়েছেন। মালে না গিয়ে নিজ দ্বীপেই পাসপোর্ট ও কল্যাণ সেবা পেয়ে খুশি প্রবাসীরা।
১১ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত চার দিনব্যাপী এ সফরে মালদ্বীপস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেয়।
প্রতিনিধি দলে ছিলেন—হাইকমিশনের তৃতীয় সচিব মো: জিল্লুর রহমান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা শিরিন ফারজানা, কল্যাণ সহকারী আল মামুন পাঠান এবং কনস্যুলার সহকারী এবাদ উল্লাহ। দলটি দ্বীপে পৌঁছালে থিনাধু সিটি কাউন্সিল তাদের আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা জানায়।

কনস্যুলার ক্যাম্পের অংশ হিসেবে স্থানীয় একটি স্কুলে দুই দিনব্যাপী কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে প্রায় ৬০ জন প্রবাসী বাংলাদেশী নতুন ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেন এবং ওয়েজআর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের সদস্য কার্ড গ্রহণ করেন।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রবাসীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার মো: সোহেল পারভেজ। তিনি প্রবাসীদের বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রেরণ, স্থানীয় আইন মেনে চলা এবং দালালচক্র ও মাদক থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান।
এ সময় তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অবদান অনস্বীকার্য। সরকারের পক্ষ থেকে প্রবাসীদের কল্যাণে আরও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা হবে।
সফরকালে প্রতিনিধি দল থিনাধু সিটি কাউন্সিলের সাথে সৌজন্য বৈঠক করে। প্রবাসীদের যেকোনো সমস্যায় সহযোগিতা এবং আনডকুমেন্টেড বাংলাদেশীদের বৈধকরণে সহায়তার আশ্বাস দেন কাউন্সিল কর্তৃপক্ষ।
প্রবাসীরা জানান, রাজধানী মালেতে না গিয়ে নিজ দ্বীপেই এসব সেবা পাওয়ায় তাদের সময় ও অর্থ সাশ্রয় হয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে এমন ভ্রাম্যমান কনস্যুলার ক্যাম্প নিয়মিতভাবে আয়োজন করা হলে মালদ্বীপের বিভিন্ন দ্বীপে থাকা বাংলাদেশীরা ব্যাপকভাবে উপকৃত হবেন।
এছাড়া, হাইকমিশন দ্বীপটিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের শরীরচর্চার উদ্দেশ্যে খেলাধুলার সরঞ্জাম বিতরণ করেন।
এসআর/বাংলা টিভি



