
|| প্রিন্স ||
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তর।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক সোহেল আহমেদ বলেন, পরীক্ষা আগামী মার্চের মাঝামাঝি হতে পারে। তবে কোন তারিখে হবে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। সব দিক বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রথমে আমরা ফেব্রুয়ারিতে পরীক্ষা নেওয়ার কথা জানিয়ে মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছিলাম। পরে সভায় সিদ্ধান্ত হয় ফেব্রুয়ারিতে পরীক্ষা হবে না।
সহকারী শিক্ষক নিয়োগে জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আবেদন চাওয়া হয়েছিল ১০০টি পদে ১৩ হাজার। এতে আবেদন জমা পড়েছে ২৪ লাখের বেশি।
আবেদনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৪ লাখ ৫২ হাজার ৭৬০, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩ লাখ ৮২ হাজার ৩৩৫, রাজশাহী বিভাগে ৩ লাখ ৬২ হাজার ৯২৫, খুলনা বিভাগে ২ লাখ ৪৮ হাজার ৭৩০, বরিশাল বিভাগে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৮২৭, সিলেট বিভাগে ১ লাখ ২০ হাজার ৬২৩, রংপুর বিভাগে ২ লাখ ৯৪ হাজার ৩৬৮ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ২ লাখ ৮২ হাজার ৪৩৭ জন আবেদন করেছেন।
বর্তমানে সারাদেশে প্রায় ৬৪ হাজার ৮২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক শূন্য রয়েছে। এ কারণে নতুন করে আরও ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পুরনো নিয়োগ বিধিমালা অনুসরণ করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। তার আলোকে নারী আবেদনকারীদের ৬০ শতাংশ কোটায় এইচএসসি বা সমমান পাস এবং পুরুষের জন্য ৪০ শতাংশ কোটায় স্নাতক বা সমমান পাস চাওয়া হয়।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র জানায়, প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হওয়ার পর গত বছরের ১ আগস্ট থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে ২৪ লাখের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন করা হবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে। এ পরীক্ষায় লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে।
প্রার্থীরা dpe.teletalk.com.bd ওয়েবসাইট থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে। এছাড়া ওএমআর শিট পূরণের নির্দেশাবলী এবং পরীক্ষা সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য ওয়েবসাইটে (www.dpe.gov.bd) পাওয়া যাবে।
বাংলাটিভি/প্রিন্স



