বিএনপির বিরুদ্ধে কোনো মামলাই মিথ্যা নয়: প্রধানমন্ত্রী

বিএনপির বিরুদ্ধে কোনো মামলাই মিথ্যা নয়, অগ্নি সন্ত্রাসের যারা জড়িত ছিল তাদের বিরুদ্ধে মামলা হবেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
আজ গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনিবাহীর সভায় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। বিএনপি আমলে আওয়ামী লীগের ওপর নির্যাতনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের নামে হাজার হাজার মামলা দেওয়া হয়েছিল। ২০০১ সালে এমন একটা অবস্থা ছিল আমরা আওয়ামী লীগ অফিসে পর্যন্ত যেতে পারতাম না। ২০০৮ সালে নির্বাচন হলো। মানুষ আওয়ামী লীগকে ভোট দিলো। তারপর আমরা সরকার গঠন করলে অবস্থার পরিবর্তন আছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বনানীর বহুতল ভবনে আগুন লাগার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা জানি চৈত্র-বৈশাখ মাসে আগুন লাগার প্রবণতা আমাদের দেশে বেশি থাকে। কয়েকদিন আগে আগুন লেগেছে। বহু লোক হতাহত হয়েছে। আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছি। যাই হোক যখনই আগুন লাগছে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।
তিনি আরও বলেন,আমাদের কিছু লোক খামাখা উত্তেজিত হয়ে একটা গাড়ি পর্যন্ত ভেঙে দিচ্ছে। দেরি হচ্ছে কেন সেই জন্য ফায়ার সার্ভিসের লোককে মারছে। সেটা না করে এক বালতি পানি এনে নেভানোর চেষ্টা করতো। তাহলে ভালো কাজ করত।
অগ্নিকাণ্ডের স্থানে ছবি তোলার ঘটনার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘অনেকে সেখানে যায়, সেলফি তোলে। আগুন নেভানোর কাজ না করে সেলফি তুলতে যে কী আনন্দ তা আমি বুঝি না!’
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আয়-বৈষম্য কমিয়ে এনে উন্নয়নের ছোঁয়া যেনো প্রতিটি আনাচে কানাচে পৌঁছে যায়, আমরা সেই কাজগুলো করে যাচ্ছি। ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলছি, এগুলো শেষ হলে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। হত দরিদ্র বলে কেউ থাকবে না, তৃণমূলের মানুষদের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। এখন কেউ চাইলে কিন্তু অর্থ উপার্জন করতে পারে, চাইলে কাজ করতে পারছে লোকজন।’
আওয়ামী লীগ সভাপতি আরও বলেন, ‘মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস নিয়ে সরকার গঠন করেছে আওয়ামী লীগ সরকার। মানুষ যেহেতু বিশ্বাস রেখেছে, সেই বিশ্বাস রাখার জন্য আমরা কাজ করছি। ২০৭১ সালে আমরা হয়তো থাকবো না, যারা থাকবে, উন্নত দেশের নাগরিক হিসেবে তারা স্বাধীনতার শতবর্ষ পালন করবে।
বাংলাটিভি/প্রিন্স



