আওয়ামী লীগরাজনীতি

তৃণমূলে বিস্তৃত হচ্ছে আওয়ামী লীগের শুদ্ধি অভিযান

ক্যাসিনো, জুয়া, অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান এত দিন আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। তা ধীরে ধীরে মূল সংগঠনের বিভিন্ন স্তর ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে বিস্তৃত হচ্ছে। এর মধ্যে মন্ত্রী, সাংসদ ও স্থানীয় সরকারের নির্বাচিত প্রতিনিধিদেরও অভিযানের আওতায় আনা হবে বলে জানা গেছে।

ইতোমধ্যে সাংসদ নুরুন্নবী চৌধুরী ওরফে শাওন ও হুইপ সামশুল হক চৌধুরীসহ ২২ জনের বিদেশ যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। সাংসদ নজরুল ইসলাম ওরফে বাবু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়েছে। (সূত্র-প্রথম আলো)

দলটির অনেক নেতাই এই অভিযানকে সম্প্রতি শুরু হওয়া ‘শুদ্ধি’ অভিযানের অংশ হিসেবে দেখছেন। আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের পর এবার তৃণমূল পর্যায়ের কমিটি থেকেও বিতর্কিত ব্যক্তিদের বাদ দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার আজারবাইজানের বাকু যাওয়ার আগে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে এ নির্দেশনা দেন বলে জানা গেছে। পরে শুক্রবার থেকে ওবায়দুল কাদেরের সই করা এ-সংক্রান্ত নির্দেশনাসংবলিত চিঠি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের কাছে পাঠানো শুরু হয়েছে।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া ‘শুদ্ধি’ অভিযানে এখন পর্যন্ত ৪৮টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এরমধ্যে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দিয়ে শুরু করা হয়। এরপর যুবলীগের খালেদ আহমেদ ভূঁইয়া, ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট, জি কে শামীমসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এছাড়াও যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা আবু কাওছার এবং সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ নাথকে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড থেকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। এখন জেলা ও উপজেলা, এমনকি ইউনিয়ন পর্যায়েও এ প্রক্রিয়া বিস্তৃত হচ্ছে এই অভিযান।

উদ্দেশ্য, আগামী ২০-২১ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনে দলের কেন্দ্রীয় কমিটি থেকেও বিতর্কিত নেতাদের বাদ দিয়ে একটা স্বচ্ছ কমিটি গঠন করা। এছাড়াও নভেম্বরে যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগসহ সব সহযোগী সংগঠনগুলোর সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

নূর / বাংলা টিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button