দেশবাংলা

আগামীকাল শেষ হচ্ছে বইমেলা ২০১৯

|| প্রিন্স || 

আগামীকাল শেষ হচ্ছে অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৯। বাংলাদেশে প্রতিবছর সৃজনশীল বইয়ের সিংহভাগ প্রকাশিত হয় অমর একুশে গ্রন্থমেলা থেকেই। এবার একুশে বই মেলায়, পুরনো লেখকদের পাশাপাশি এসেছে প্রচুর নতুন লেখকের বই। তবে বেশীরভাগই মানসম্মত নয় বলছেন পাঠকরা। আস্থা এখনো পুরনো এবং জনপ্রিয় লেখকদের প্রতি। তবে পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এদের থেকেও অনেক ভালো মানের লেখক বের হয়ে আসবে বলছেন বিশিষ্ট লেখকরা।

একটি জাতির মেধা ও মননের আঁতুড়ঘর হলো তার বইয়ের জগত। বই মেলার মাধ্যমে বিশাল জ্ঞানের ভাণ্ডার চলে আসে সকলের হাতের নাগালে। সবাই সুযোগ পায় এই বিশাল জ্ঞান-সমুদের সাথে পরিচিত হবার।

জতিগতভাবে আমরা আরাম ও প্রমোদপ্রিয়। জ্ঞানান্বেষণের উদ্দেশ্যে লাইব্রেরিতে গিয়ে বইপড়া ও বই সংগ্রহ করার ইচ্ছা ও সুযোগ অনেকেরই হয় না। অন্যান্য সময় যেসব বই পাওয়া দূর্লব হয়ে পরে,মেলায় সেসব বই হাতের নাগালে পাওয়ায় সন্তুষ্ট বইপ্রেমিরা।

মেলায় এসে, ছোট ছোট শিশুদের পূর্ণাঙ্গ মানুষ করে গড়ে তোলার জন্য স্কুলে স্কুলে লাইব্রেরী করার আহবান জানান লেখক ও শিক্ষাবিদ মুহম্মদ জাফর ইকবাল। এ সময় নতুন লেখকদের প্রশংসা করে, লেখার ধারা অব্যাহত রাখারও আহবান জানান তিনি।

কিছু প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের ঢালাও প্রকাশনার মাঝেও নিজেদের বইয়ের সারা পেয়ে সন্তুষ্ট লেখকরাও। নতুন, পুরাতন লেখকদের বইমেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে মেধার উন্নয়ন ও বিকাশের চর্চা করে একটি মেধাবী জাতি গঠনের এই প্রক্রিয়াকে আরোও উন্নত ও ডিজিটাল করার মধ্য দিয়ে একটি সভ্য, সুশীল ও ন্যায়পরায়ণ সমাজ প্রতিষ্ঠা হোক এমন প্রত্যাশা মেলায় আসা লেখকদের।

 বাংলাটিভি/প্রিন্স

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close