আন্তর্জাতিকএশিয়ামধ্যপ্রাচ্য

চীনের আগ্রাসন নিয়ে আলোচনা করতে জাপান এবং ফিলিপাইনের নেতারা হোয়াইট হাউজে

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউজে জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা এবং ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়রকে স্বাগত জানিয়েছেন, এই বৈঠকের লক্ষ্য দক্ষিণ চীন সাগরে তার প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে আগ্রাসী আচরণ বন্ধ করার জন্য চীনকে একটি স্পষ্ট বার্তা পাঠানো।

ম্যানিলা এবং বেইজিংয়ের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে ত্রিপক্ষীয় শীর্ষ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হল। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলিতে, চীনা উপকুল রক্ষী জাহাজগুলি সেকেন্ড টমাস শোলে নিযুক্ত ফিলিপাইনের সৈন্যদের জন্য পুনঃসাপ্লাই মিশন বাধাগ্রস্ত করার জন্য উস্কানিমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে। এই সৈন্যরা স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জের উপর ম্যানিলার সার্বভৌমত্বের সুরক্ষা দেয়।

তথাকথিত এই অমীমাংসিত অঞ্চলের ভয় দেখানোর কৌশলগুলির কারণে ওয়াশিংটন এবং ম্যানিলার মধ্যে শিগগিরই একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি হবে।

আলোচনার মূল বিষয় হল অমীমাংসিত অঞ্চলের আক্রমণ বলতে ঠিক কি বোঝায় একত্রে তা বুঝতে পারা এবং কখন চুক্তির নিয়মগুলি প্রয়োগ করা উচিত তা নির্ধারণ করা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বুধবার এক ব্রিফিংয়ের প্রশ্নের জবাবে প্রশাসনের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা বলেছেন, “আমরা চীনের তথাকথিত ধূসর (অমীমাংসিত)অঞ্চলের জবরদস্তিমূলক কৌশল এবং এর প্রভাব কী হতে পারে এই প্রশ্নগুলি গুরুত্ব সহকারে সমন্বয় করে চলেছি।”

যুক্তরাষ্ট্র-ফিলিপাইন পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে রয়েছে “ফিলিপাইনের সামরিক বাহিনী, অসামরিক জাহাজ বা বিমানের উপর সশস্ত্র আক্রমণ হলে যুক্তরাষ্ট্র সাহায্য করবে।

কর্মকর্তা বলেন, বাইডেন এবং কিশিদা মার্কোসকে সমর্থন দিয়ে যাবেন। তারা মার্কোসের পাশে দাঁড়াবেন, ফিলিপাইনের সাথে প্রতিটি ক্ষেত্রে সমর্থন দেবেন এবং কাজ করতে প্রস্তুত থাকবেন।”ভয়েস অফ আমেরিকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক। বাংলা টিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button