
বাংলা টিভি ডেস্ক: জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, সরকার গঠনের ছয়মাস পার হলেও বিএনপি গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেয়নি। বরং গণরায় বাস্তবায়ন করা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। তবে আমাদের স্পষ্ট কথা হচ্ছে গণভোটের গণরায়ে কোনো নোট অব ডিসেন্ট নেই। গণভোটে বিএনপির নোট অব ডিসেন্ট খারিজ হয়েছে। আমরা জুলাই বিপ্লবের রক্তের বিনিময়ে একসঙ্গে স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছি। আমরা সরকার উৎখাতের কোনো আন্দোলন করছি না, জনগণের ও আমাদের দাবি হলো গণভোটের গণরায়কে আপনারা মেনে নেন।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মগবাজারের জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।
গোলাম পরওয়ার বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠনের পর বিরোধীদল জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে সংসদের ভেতরে ও বাইরে এখনো নিয়মতান্ত্রিক, গঠনমূলক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছে। সরকারের প্রতি আমাদের অনুরোধ বিরোধী দলের সর্ববৃহৎ শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচিকে সফল করতে সব প্রশাসনিক সহযোগিতা দিয়ে সরকার জনগণের আস্থায় থাকবে।
তিনি বলেন, যদি সরকারের কোনো দল বা কেউ লংমার্চে কোনো প্রতিকূল পরিবেশ তৈরি করে তাহলে তারা জনগণের আস্থা হারাচ্ছেন, আরও হারাবে এবং জনরোষের মুখোমুখি হবে। আশা করি এরকম কোনো অপরিণামদর্শী পথে সরকার ও সরকারি দলের কেউ পা বাড়াবে না।
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরে প্রমাণিত হোক বিরোধীদল ও সরকারি দলের পরমত সহিষ্ণতা রয়েছে এবং রাজনৈতিক সহিংসতা যে ছিল সেই নেতিবাচক সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসেছি। আমরা এখন পর্যন্ত কোনো নাশকতার আশঙ্কা করছি না। নিরাপদ শান্তিপূর্ণ লংমার্চে জনগণের জানমালের ক্ষয়ক্ষতির কোনো কারণ নেই।
মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, আগামী ৫ মার্চের লংমার্চ ইতোমধ্যে সামগ্রিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। আমাদের লংমার্চের বহরে প্রায় দেড় হাজার গাড়ি যুক্ত হবে বলে আমরা ইতোমধ্যে জানতে পেরেছি। লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বরে অনুষ্ঠিত হবে। লংমার্চের রুটে পূর্বনির্ধারিত বিভিন্ন পয়েন্টে পথসভা হবে। প্রথমটি নারায়ণঞ্জের কাচপুর ব্রিজের কাছে ট্রাকস্টান্ডে, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল, মীরের সরাই এবং সবশেষ চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে। আমরা এখন পর্যন্ত যে খবর পেয়েছি সেখানে জনতার ঢল নামবে।



