
বগুড়া (ডিজিটাল) প্রতিনিধি: জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, গণহত্যার বিচার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নসহ ছয় দফা দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লংমার্চ আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। লংমার্চের অংশ হিসেবে বগুড়ার চারমাথা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পথসভা করার কথা রয়েছে। এ পথসভায় ‘লাখো মানুষের’ সমাগম ঘটাতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় ঐক্যের স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত বগুড়াকে লংমার্চের গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবিরতি হিসেবে দেখছেন আয়োজকরা। তাঁদের দাবি, চারমাথার পথসভায় বগুড়াসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেবেন। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে দলীয়ভাবে প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) লংমার্চের অংশ হিসেবে বগুড়ার চারমাথা বাসস্ট্যান্ডে অনুষ্ঠেয় পথসভার স্থান পরিদর্শন করেন জামায়াতে ইসলামী বগুড়া জেলা ও মহানগর শাখার নেতারা। তাঁরা সম্ভাব্য মঞ্চের স্থান, লংমার্চের গাড়িবহর থামার জায়গা এবং পথসভার সার্বিক ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক ঘুরে দেখেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- জামায়াতে ইসলামী বগুড়া মহানগর শাখার আমির অধ্যক্ষ আবিদুর রহমান সোহেল, সেক্রেটারি অধ্যাপক আ স ম আব্দুল মালেক, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা মানসুরুর রহমান, এনসিপির বগুড়া জেলা আহ্বায়ক প্রকৌশলী এম এস এ মাহমুদসহ ১১ দলীয় ঐক্যের স্থানীয় নেতারা।
জামায়াতে ইসলামী বগুড়া মহানগর শাখার সেক্রেটারি অধ্যাপক আ স ম আব্দুল মালেক বলেন, ‘৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চে যেভাবে জনতার ঢল নেমেছিল, ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা-রংপুর লংমার্চেও তার চেয়ে বেশি জনসমাগম হবে ইনশাআল্লাহ। বগুড়া উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার। চারমাথায় আমাদের পথসভায় লাখো মানুষের সমাগম ঘটবে। সেই লক্ষ্যেই আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি।’
তিনি আরও বলেন, লংমার্চকে স্বাগত জানাতে বগুড়ার সর্বস্তরের মানুষ প্রস্তুত রয়েছেন। প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি সফল করার প্রত্যাশা করেন তাঁরা।
এর আগে, গত ৬ আগস্ট রাজধানীতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে চারটি লংমার্চের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরবর্তী কর্মসূচি হিসেবে ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা-রংপুর, ১০ অক্টোবর ঢাকা-খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর ঢাকা-সিলেট লংমার্চ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।



