গুজব নয়, তথ্যের ওপর আস্থা রাখার পরামর্শ দিলেন বিশিষ্টজনেরা

কেন এই গুঁজব। কি স্বার্থ হাসিল করতে কিছুদিন পর পর রাষ্ট্রে এর নামে ভয়াবহ সংকট তৈরির চেষ্টা করছে। কারা করছে এসব। কি চায় তারা। হঠাত করে দেশব্যাপী এই গণপিটুনির ঘটনা কেন ঘটছে। মানুষের এতো অসন্তোষের কারণ কি? কেন গণপিটুনি দেয়া মানুষগুলোর মনে উচিত-অনুচিত বোঝার মতো বিবেক কাজ করেনা।
প্রখ্যাত মার্কিন কথা সাহিত্যিক মার্ক টোয়েন বলেছিলনে, সত্য তার জুতোর ফিতে বাঁধতে বাঁধতে গুজব বা মিথ্যা সমস্ত পৃথিবী প্রদক্ষিণ করে আসতে সক্ষম।
বাংলাদেশের সবচে আলোচিত গুজবটি ঘটে ২০১৩ সালের ৩ মার্চ। জামায়াত নেতা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর ফাঁসি কার্যকর হয়েছে, তার ছবি চাঁদে দেখার গুজব ছড়ানো হয় নজিরবিহীন সংঘর্ষে চট্টগ্রাম বগুড়া সাতক্ষীরা দেশে সবমিলিয়ে নিহত হয় প্রায় ষাট জন।
গত বছর নিরাপদ সড়ক আন্দোলন চলাকালে জিগাতলায় চারজন নিহত এবং কয়েকজন স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের গুজব ছড়ানো হয়, পোস্ট করা হয় ভূয়া ভিডিও রক্তাক্ত ছবি।
২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের রামুর বৌদ্ধ পল্লিতে হামলা। ২০১৬ সালের ৩০ অক্টোবর নাসিরনগরে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলা। শাপলা চত্বরে হেফাজতের সমাবেশে নিহতের সংখ্যা বিতর্ক সবকিছুর মূলে এই গুঁজব।
কেন গুঁজবের ছলে এই নৃশংসতা। কেন তিন অক্ষরের এই শব্দটি কখনো ভীষণ অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠে, কি মনে করেন বিশ্লেষকরা।
বাংলাটিভি/পিয়াস মাহমুদ



